নির্বাচন ২০২৬

রোজবার্তার একান্ত সাক্ষাৎকারে গোপালগঞ্জ–১ আসনে সর্বশেষ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম আলী খান

রোজবার্তাঃ

গোপালগঞ্জ–১ আসনে সর্বশেষ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম আলী খান। তিনি কলস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


প্রশ্ন: কেমন আছেন?
উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ, খুব ভালো।


প্রশ্ন: সময় কেমন কাটাচ্ছেন?
উত্তর: বেশ প্রফুল্লভাবে ও ব্যস্ততার মধ্যেই ভালো কাটছে।


প্রশ্ন: ব্যবসায়ী থেকে হঠাৎ রাজনীতিতে কেন?
উত্তর: ব্যবসা আমার পেশা, আর রাজনীতি আমার জীবনবোধ। আমি ব্যবসা ছেড়ে আসিনি—ব্যবসা আছে। ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিকভাবে সচেতন ছিলাম, যদিও সরাসরি যুক্ত ছিলাম না। সত্যিকার অর্থে দেশ ও জনগণের খেদমতের অন্যতম ক্ষেত্র রাজনীতি। যার মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা সহজ হয়—এটাই আমার প্রয়াস।


প্রশ্ন: ইতিপূর্বে কোনো দল বা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন?
উত্তর: না, এর আগে কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্বাচনে অংশ নিইনি।


প্রশ্ন: আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ কী?
উত্তর: আল্লাহকে খুশি করার জন্য জনগণের খেদমত করা। কারণ আল্লাহর রাজি-খুশিতেই দো-জাহানের কামিয়াবি।


প্রশ্ন: ৫ আগস্ট না হলে নির্বাচনে আসতেন?
উত্তর: স্বল্প পরিসরে চিন্তা করতাম। তবে ৫ আগস্ট জনসেবার বিস্তৃত পরিসর তৈরি করেছে, যা কাজে লাগানো জরুরি।


প্রশ্ন: আওয়ামী অধ্যুষিত এলাকায় কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
উত্তর: স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত। জনগণ আশা করে ভালো ও সৎ মানুষ তাদের প্রতিনিধিত্ব করুক। আমরা উৎসাহী এবং জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।


প্রশ্ন: জনগণ কেন আপনাকে ভোট দেবে?
উত্তর: জনগণ সেবা চায়, ভালো ব্যবহার চায়, সুখ-দুঃখের কথা বলতে চায়। এজন্য তারা ভালো ও সহজ মানুষকে বেছে নেয়—যিনি তাদের কাছে আসবেন, কথা শুনবেন ও সমাধানের চেষ্টা করবেন। আমাদের প্রতি সেই বিশ্বাস তাদের আছে।


প্রশ্ন: অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্পর্কে বলুন।
উত্তর: আমি তাদের জনগণের দৃষ্টিতেই দেখি। পূর্ব অভিজ্ঞতা কম। বিশেষ সমালোচনার কিছু নেই। বিচারের ভার জনগণের।


প্রশ্ন: প্রার্থিতা বাদ হলো কেন?
উত্তর: এক ভাগ ভোটারের সমর্থনে কিছুটা গড়মিল ছিল, পরে আপিলে সমাধান হয়েছে।


প্রশ্ন: প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার অনুভূতি কেমন?
উত্তর: নির্বাচনের প্রথম শর্তই হলো প্রার্থিতা। সংগত কারণেই ফিরে পেয়ে ভালো লেগেছে। কর্মী-সমর্থকেরাও উল্লসিত।
প্রশ্ন: সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রশাসন ও কমিশনের ভূমিকা কেমন?
উত্তর: তারা চেষ্টা করছে। আমরাও সহযোগিতা করছি।


প্রশ্ন: নির্বাচিত হলে কী করবেন?
উত্তর: জনগণের খেদমত, সাংবিধানিক সুরক্ষা, সম্পদের আমানত রক্ষা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।


প্রশ্ন: ভোটারদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।
উত্তর: আমাকে নির্বাচিত করলে পাশে পাবেন—নেতা নয়, সেবক হিসেবে থাকব ইনশাআল্লাহ।

এভাবেই রোজবার্তার একান্ত সাক্ষাৎকারে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন গোপালগঞ্জ–১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম আলী খান।

এ বিভাগের আরও সংবাদ