গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়কের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে এলজিইডির আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বি এম মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা করেন বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেডের বিশ্লেষক ধরনী চাকমা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মতিয়ার রহমান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মুকসুদপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
কর্মশালায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার ঠিক করা এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই নিয়ে আলোচনা করা হয়।
স্থানীয় হাট-বাজার, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের সঙ্গে যুক্ত রুটগুলোকে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় আনার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক গুরুত্ব, যান চলাচলের ঘনত্ব ও সড়কের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে সড়কের দৈর্ঘ্য, অবস্থান ও স্যাটেলাইট ডাটাবেজ হালনাগাদের কৌশলও তুলে ধরা হয়। খসড়া ম্যাপ ও তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে সড়কগুলো পুনরায় যাচাইয়ের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত হলে অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণ কমবে। একই সঙ্গে সড়ক উন্নয়নে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।





