গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জানে আলম বিরু মিয়া।
স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত মুখ জানে আলম বিরু মিয়া। বাল্যকাল থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। কাশিয়ানী উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া, পরাজয়ের পর আবার ঘুরে দাঁড়ানো এবং নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জানে আলম বিরু মিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁকে বিএনপিপন্থী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা ও দলীয় অবস্থান নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ভিন্ন আলোচনা রয়েছে। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে কোনো দলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে তাঁর পরিচয় থাকলেও, তাঁর সাংগঠনিক কার্যক্রম মূলত দলীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাক্ষাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে জানে আলম বিরু মিয়ার রাজনৈতিক তৎপরতা আগের তুলনায় কমে আসে। এরপর ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সদা অল্পভাষী ও মৃদুভাষী হিসেবে পরিচিত বিরু মিয়ার এই সিদ্ধান্ত কাশিয়ানীর স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তাঁর পদত্যাগের কারণ এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





