• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইতালি পাঠানোর নামে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রাণে বেঁচে দেশে ফিরেও মিলছে না টাকা মুকসুদপুরে রিয়ান মোল্লার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুকসুদপুরে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুকসুদপুরে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা মুকসুদপুরে কলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ব্যয়সংকোচনে সরকারের বড় পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর ঘিরে মুকসুদপুরে সড়কের দু’পাশে শুভেচ্ছা জানাতে হাজারো নেতাকর্মী বিডিএমএ গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সুমন সাহা নির্বাচিত মুকসুদপুরে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দলীয় রাজনীতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালেন সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

Published মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ সকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল ৬টা নাগাদ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপি এবং তাঁর চিকিৎসকরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি ও হার্টের জটিলতাসহ নানা বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।


গত নভেম্বর মাস থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হতে থাকে। ২৩ নভেম্বর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং ১১ ডিসেম্বর তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে (লন্ডন) নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে কাতার থেকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও আনা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থা ভ্রমণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মেডিক্যাল বোর্ড তাকে ছাড়পত্র দিতে পারেনি। মৃত্যুর আগমুহূর্তে তাঁর বড় ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর পাশে ছিলেন, যিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত সপ্তাহে (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন।

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিনবার (১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১ সালে স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি লাভ করেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।


More News Of This Category