গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একসময় ব্যাপকভাবে আখ চাষ হলেও সরকারি সহায়তার অভাব, বাজারজাতকরণ সমস্যা ও সুগারমিল না থাকায় দিন দিন কমছে আবাদ। বর্তমানে উপজেলায় মাত্র ৩৫ জন কৃষক আখ চাষ করছেন।
মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২২ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ১৯ হেক্টর জমিতে।
আরও পড়ুনঃমুকসুদপুরে ছেলের মরদেহ দেখে বাবারও মৃত্যু, একসঙ্গে জানাজা
কদমপুর গ্রামের আখচাষি মো. ইদ্রিস মোল্যা বলেন, “প্রায় ৪০ বছর ধরে আখ চাষ করছি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আখ চাষে ঝুঁকি কম এবং লাভও বেশি। আখচাষিদের সার ও কীটনাশকসহ সরকারি সহায়তা দেওয়া হলে আবারও এ চাষের সুদিন ফিরবে।”
টেংরাখোলা গ্রামের চাষি মোক্তার শেখ বলেন, “এ বছর এক একর জমিতে আখ চাষে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিক্রি করে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাভ হবে। তবে এলাকায় সুগারমিল না থাকায় হাট-বাজারে গিয়ে আখ বিক্রি করতে হয়। জমি থেকে সরাসরি আখ কেনার ব্যবস্থা হলে চাষিরা আরও উৎসাহিত হবেন।”
আরও পড়ুনঃ মুকসুদপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ
মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, “মুকসুদপুর কোনো চিনিকলের আওতাভুক্ত না থাকায় আখচাষিদের জন্য সরাসরি সরকারি প্রণোদনার ব্যবস্থা নেই। তবে কৃষকরা পরামর্শ চাইলে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।”
কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা ও সরাসরি আখ কেনার ব্যবস্থা করা হলে মুকসুদপুরে আবারও আখ চাষের পরিধি বাড়বে।
সূত্রঃ চ্যানেল ২৪