• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মুকসুদপুর পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে: ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি স্থায়ী ভাগাড় নেলসন ম্যান্ডেলা স্মৃতি সম্মাননা পেলেন মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত, ২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ইতালি পাঠানোর নামে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রাণে বেঁচে দেশে ফিরেও মিলছে না টাকা মুকসুদপুরে রিয়ান মোল্লার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুকসুদপুরে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুকসুদপুরে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা মুকসুদপুরে কলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ব্যয়সংকোচনে সরকারের বড় পদক্ষেপ

মন্ত্রীদের সম্পদের হিসাব দাখিল

Published বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রোজবার্তাঃ

নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাঁদের সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে সম্পদের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। কারও সম্পদ শতকোটি টাকার ঘরে, আবার কারও সম্পদ কয়েক কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ।


দাখিলকৃত হিসাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ সম্পদের মালিক হিসেবে রয়েছেন জাকিরিয়া তাহের সুমন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। অন্যদিকে সর্বনিম্ন সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন মিজানুর রহমান মিনু, যার পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।


উচ্চ সম্পদধারীদের তালিকায় আরও রয়েছেন—
খলিলুর রহমান (৫৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা), মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ (২৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা), সালাউদ্দিন আহমদ (১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা), আসাদুল হাবিব দুলু (১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (১৮ কোটি টাকা) এবং মো. আসাদুজ্জামান (১১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা)।


এছাড়া আব্দুল আউয়াল মিন্টু (১১৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা), আরিফুল হক চৌধুরী (১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা), আমির খসরু (১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা), ইকবাল হাসান মাহমুদ (৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা), ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী এনি (৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা) প্রমুখও তাঁদের সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন।


মাঝারি আয়ের তালিকায় রয়েছেন—
দীপেন দেওয়ান (২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা), শেখ রবিউল আলম (২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (১ কোটি ৯০ লাখ টাকা), কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়সারবাদ (১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা), মির্জা ফখরুল ইসলাম (১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা), ফকির মাহবুব আনাম (২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা), জহির উদ্দিন স্বপন (৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা), মো. শাহওয়াত হোসেন (৩ কোটি ২১ লাখ টাকা) এবং এহসানুল হক মিলন (৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা)।


সম্পদের এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে সম্পদের ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদ ঘোষণার এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে ঘোষিত সম্পদের উৎস, আয়কর রিটার্ন ও বাস্তব সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নিয়মিত সম্পদ বিবরণী প্রকাশ এবং তা জনসম্মুখে উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বচ্ছতা আরও জোরদার হবে।


More News Of This Category

Recent Comments

No comments to show.