• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মুকসুদপুর পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে: ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি স্থায়ী ভাগাড় নেলসন ম্যান্ডেলা স্মৃতি সম্মাননা পেলেন মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত, ২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ইতালি পাঠানোর নামে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রাণে বেঁচে দেশে ফিরেও মিলছে না টাকা মুকসুদপুরে রিয়ান মোল্লার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুকসুদপুরে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুকসুদপুরে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা মুকসুদপুরে কলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ব্যয়সংকোচনে সরকারের বড় পদক্ষেপ

মুকসুদপুর পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে: ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি স্থায়ী ভাগাড়

Published বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

বাদশাহ মিয়া:

​গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় প্রায় ২৬ বছরেও তৈরি হয়নি বাসা-বাড়ি ও বাজারের বর্জ্য ফেলার স্থায়ী ভাগাড়। পৌর সদরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য ফেলা হচ্ছে উন্মুক্ত জায়গায়; এছাড়া অস্থায়ী ভাগাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কুমার নদী। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলায় দুর্গন্ধে ওই এলাকার জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ৪ নং ওয়ার্ডের চণ্ডীবর্দীতে কুমার নদীর পাশে এসব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

​জানা যায়, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত মুকসুদপুর পৌরসভাটি ‘গ’ শ্রেণি থেকে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত করা হলেও পৌর কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ভাগাড় স্থাপনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। প্রায় ৫-৭ বছর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা হতো। পরে গোপীনাথপুর আটাডাঙ্গা বাঁওড়ে এবং বর্তমানে টেংরাখোলা বাজারের চণ্ডীবর্দী এলাকায় কুমার নদে ফেলা হচ্ছে এসব বর্জ্য-ময়লা।

​স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন পৌরসভার গাড়িতে বর্জ্য এনে নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে পানি দূষিত হয়ে রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। অন্যদিকে দুর্গন্ধের কারণে পথচারীদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে।

​ব্যবসায়ীরা জানান, ঝড়-বাতাস শুরু হলে এসব ময়লা বাতাসে উড়ে সারা বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আর বৃষ্টি হলে পচে মারাত্মক দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ওই এলাকায় চলাচলকারী উত্তম কুমার জানান, দুর্গন্ধে বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পথচারীরা অধিকাংশ সময় মুখে কাপড় দিয়ে চলাফেরা করেন। পাশেই রয়েছে একটি স্কুল ও একটি মসজিদ, যেখানে বাধ্য হয়েই মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধ এড়াতে অনেকে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন।

​উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, “উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেললে সেখান থেকে নানা ধরনের রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি ওই বর্জ্যের ওপর বসা মাছি খাবারে পড়লে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এসব বর্জ্যের কারণে শুধু মানুষ নয়, অন্যান্য প্রাণীও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে।”

​এ বিষয়ে মুকসুদপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, “খাস জমিতে ময়লা ফেলার ভাগাড় তৈরি করার জন্য চিঠি পেয়েছি। জমি নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে, দ্রুতই কাজ শুরু হবে। এছাড়া পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে বড় ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।”


More News Of This Category

Recent Comments

No comments to show.