• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মুকসুদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ২ সালথায় ইউথ স্টারস ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন: দাদু ভাই একাদশ বিজয়ী মুকসুদপুরে চার গ্রামের তরুণদের মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পি কে এইচ যুব সংগঠন মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপ হেলপার নিহত মুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের খপ্পরে অসহায় পরিবার; থানায় অভিযোগ মুকসুদপুরে সড়কের পাশের গাছ যেন মরণফাঁদ, ঝুঁকিতে ৩২ পরিবার মুকসুদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি মুকসুদপুরে প্রভাষক অমল কৃষ্ণ দাসের বাসার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরি মুকসুদপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মুকসুদপুরে দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২০

মুকসুদপুরে সড়কের পাশের গাছ যেন মরণফাঁদ, ঝুঁকিতে ৩২ পরিবার

Published শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

​বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা-বাঘাদিয়া সড়কের পাশে লাগানো রেইনট্রি ও চাম্বল গাছগুলো এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গাছ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় চরম মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে সড়কের পাশে বসবাসকারী ৩২টি পরিবার। এছাড়া সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই গাছ বা গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। ফলে আতঙ্ক নিয়েই এই সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির নিয়ন্ত্রণাধীন বামনডাঙ্গা থেকে বাঘাদিয়া সড়কে ২০০৩ সালে একটি সমিতির মাধ্যমে রাস্তার দুপাশে কয়েক হাজার চাম্বল ও রেইনট্রি গাছ লাগানো হয়। দীর্ঘদিন পূর্বের লাগানো এসব গাছ বর্তমানে অতিরিক্ত লম্বা ও পুষ্টিহীনতায় মরে গেছে। সংশ্লিষ্ট সমিতি বা কর্তৃপক্ষ গাছগুলো কাটার সময়োপযোগী ব্যবস্থা না নেওয়ায় এগুলো এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

​ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা ইজিবাইক চালক করিম বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করি। কয়েকদিন আগে ঝড়ে একটি বড় গাছের ডাল আমার ওপর ভেঙে পড়েছিল, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাই।”

​বামনডাঙ্গা গ্রামের জুলহাস শেখ জানান, সম্প্রতি ঝড়ে তার নতুন ঘরের ওপর একটি গাছ ভেঙে পড়ে। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অল্পের জন্য তার স্ত্রী ও সন্তান রক্ষা পেলেও তারা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

​গোহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, “গাছগুলো এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার কর্তৃক গাছ কাটার আইনি নীতিমালা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব।”

​মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিএম মাহমুদুল হাসান জানান, গাছগুলো আসলেই চরম ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলোচনা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির বলেন, “ভুক্তভোগীদের একটি আবেদন পেয়েছি। আবেদনটি উপজেলা বন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”


More News Of This Category