• বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষাখাতে ঘটতে যাচ্ছে আমূল পরিবর্তন মুকসুদপুরে সংবাদ সম্মেলন করে আ’লীগ নেতার পদত্যাগ মুকসুদপুরে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ও গ্যাস বিক্রির দায়ে ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা মুকসুদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মুকসুদপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রোজবার্তা সাক্ষাৎকার মুকসুদপুরে ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু মুকসুদপুরে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা মুকসুদপুরে ইউএনও’র নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান: ঈদযাত্রা ও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে কঠোর প্রশাসন গোপালগঞ্জে জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে আইজিপির ঈদ উপহার ও শুভেচ্ছা বিনিময়

মন্ত্রীদের সম্পদের হিসাব দাখিল

Published বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রোজবার্তাঃ

নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাঁদের সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে সম্পদের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। কারও সম্পদ শতকোটি টাকার ঘরে, আবার কারও সম্পদ কয়েক কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ।


দাখিলকৃত হিসাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ সম্পদের মালিক হিসেবে রয়েছেন জাকিরিয়া তাহের সুমন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। অন্যদিকে সর্বনিম্ন সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন মিজানুর রহমান মিনু, যার পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।


উচ্চ সম্পদধারীদের তালিকায় আরও রয়েছেন—
খলিলুর রহমান (৫৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা), মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ (২৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা), সালাউদ্দিন আহমদ (১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা), আসাদুল হাবিব দুলু (১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (১৮ কোটি টাকা) এবং মো. আসাদুজ্জামান (১১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা)।


এছাড়া আব্দুল আউয়াল মিন্টু (১১৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা), আরিফুল হক চৌধুরী (১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা), আমির খসরু (১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা), ইকবাল হাসান মাহমুদ (৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা), ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী এনি (৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা) প্রমুখও তাঁদের সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন।


মাঝারি আয়ের তালিকায় রয়েছেন—
দীপেন দেওয়ান (২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা), শেখ রবিউল আলম (২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (১ কোটি ৯০ লাখ টাকা), কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়সারবাদ (১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা), মির্জা ফখরুল ইসলাম (১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা), ফকির মাহবুব আনাম (২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা), জহির উদ্দিন স্বপন (৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা), মো. শাহওয়াত হোসেন (৩ কোটি ২১ লাখ টাকা) এবং এহসানুল হক মিলন (৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা)।


সম্পদের এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে সম্পদের ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদ ঘোষণার এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে ঘোষিত সম্পদের উৎস, আয়কর রিটার্ন ও বাস্তব সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নিয়মিত সম্পদ বিবরণী প্রকাশ এবং তা জনসম্মুখে উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বচ্ছতা আরও জোরদার হবে।


More News Of This Category