রোজবার্তা:
সাবেক সংসদ সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু গোপালগঞ্জ-২ আসনের জনগণের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এই সর্বাধিক আলোচিত ও জনন্দিত নেতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পাঁচ দিন পর নিজ সংসদীয় আসনের সর্বস্তরের মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন—
“প্রাপ্তি আর প্রত্যাশার চেয়েও বড় হোক আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও গোপালগঞ্জের শান্তি। ❤️🤝
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সর্বস্তরের প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর আজ পাঁচ দিন পার হলো। আপনারা অনেকেই আমার বক্তব্যের অপেক্ষায় ছিলেন, কেন দেরি হলো তা নিয়েও হয়তো ভাবছেন। নির্বাচনের পরপরই আবেগ ও উত্তেজনার পারদ অনেক ওপরে থাকে। আমি চেয়েছিলাম সেই উত্তেজনা প্রশমিত হোক, গোপালগঞ্জের পরিবেশ শান্ত থাকুক। কারণ, আমার কাছে পদের চেয়েও আপনাদের নিরাপত্তা ও এলাকার শান্তি অনেক বেশি মূল্যবান। এই পাঁচ দিন আমি মূলত আপনাদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছি যে আমরা বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই একটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছি।
আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই বিজয়ী প্রার্থী ডা. কে এম বাবরকে। নির্বাচনী ময়দানে লড়াই ছিল আদর্শের, কিন্তু দিনশেষে আমরা একই এলাকার মানুষ।
আমার প্রাণপ্রিয় কর্মী ও সমর্থকদের বলব—আপনারা হতাশ হবেন না। আপনারা যে ভালোবাসা নিয়ে ‘হরিণ’ মার্কার জন্য কাজ করেছেন, তা কোনো সংখ্যার হিসাব দিয়ে মাপা সম্ভব নয়। আমার মূল লক্ষ্য ছিল গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য একটি শান্তিময় পরিবেশ নিশ্চিত করা। যদি নির্বাচিত প্রার্থীর মাধ্যমে সেই শান্তি ও উন্নয়ন বজায় থাকে, তবেই আমার রাজনীতির উদ্দেশ্য সফল হবে।
এম এইচ খান মঞ্জু কোনো সাময়িক বিজয়ের জন্য রাজনীতিতে আসেননি। আমি অতীতেও আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব, ইনশাআল্লাহ। জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু আমাদের মধ্যকার সামাজিক বন্ধন যেন অটুট থাকে। কোনো উসকানি বা হতাশায় নিমজ্জিত না হয়ে চলুন, আমরা সবাই মিলে গোপালগঞ্জের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।
ধৈর্য ধারণ করার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।”**
আপনাদেরই আপনজন—
এম এইচ খান মঞ্জু
সংগ্রহ: M H Khan Monzu-এর ফেসবুক পেজ।