কবিঃ রনো খন্দকার
ভুতে পুতে মিলে মিশে, গড়ছে ভুতের তালুক।
বেচে থেকেও মৃত মানুষ, গন্ধ শুকে ভাল্লুক।
অন্ধ চোখে রঙিন চশমা,দিন বদলের গান।
চোর ডাকাত মুক্ত স্বাধীন, পাপীর বড় মান।
ঘটিরাম তাই ঘটা করে,আদায় করছে কাম
আমজনতা আটি গুনে, পায় না ভাগে আম।
বানর গলায় মুক্তোমালা, শিয়াল মুরগির রক্ষী
বক ধার্মিক বেজায় খুশি, বোবা কালা সাক্ষী।
ধ্যান ধরেছে গাধার পাল, জ্ঞান বিলোবে তারা
দিন দুপুরে দেখছি চোখে,আকাশ ভরা তারা।
কেউ চিৎ কেউবা কাৎ,কেউ খাচ্ছে ডিগবাজি
হুজুগ বুঝে সুযোগ খুজে,জিলাপি নিচ্ছে ভাজি।
মঞ্চ সাজে রঙ তামাশায়, ভুতে পুতের কীর্তি
মগজ ছাড়া মাথা যাদের, তারাই মান্য মুর্তি।
ভুতে পুতে গান ধরেছে, তাল ধরিতে বাধ্য।
তাদের নামে গুনগানে, লিখতে হবে পদ্য।
মানুষ ধরো, মানুষ মারো, মানুষ মারা বৃত্তি।
ভুতেপুতের বাচ্চা পুষে, ভয়ংকর এক প্রেত্নী।
ভীতুর ডিমে হিম হিম, ভুতের তালুক দিন
সূর্য উঠলেও রাত ছুটে না,বাজে যাদুর বীন।