• সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
র‍্যাবের যৌথ অভিযানে কাশিয়ানীর আলোচিত মোকলেস হত্যা মামলার দুই আসামি আটক গোপালগঞ্জ জেলায় ১৯৭টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সরকারি জমি দখলের দায়ে একজনের ১০ দিনের কারাদণ্ড মুকসুদপুরে এস.জে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সরকারি মুকসুদপুর কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাবু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড মুকসুদপুরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের পথসভা গোপালগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ এই নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়ার অর্জন মুকসুদপুরে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার সফল সমাপ্তি

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ‘বৈষম্যবিরোধী’ আন্দোলনের সাবেক দুই নেতা গ্রেপ্তার

Published বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬


নিউজ ডেস্কঃ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ইন্টারনেটে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার দিবাগত রাতে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী (৩০) মঙ্গলবার মহম্মদপুর থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বুধবার রাতে প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার আসামিরা হলেন—মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মো. সিজান মাহমুদ (২০), নাফিজ আহম্মেদ (২২), রুবেল শেখ (২৪) ও মো. সুমন শেখ (২৫)। এদের মধ্যে সিজান মাহমুদ ও নাফিজ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুই আসামি বর্তমানে পলাতক।

গ্রেপ্তার দুই আসামি সিজান মাহমুদ ও নাফিজ আহম্মেদ গত বছরের ২০ এপ্রিল ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য ও মুখপাত্র ছিলেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাগুরা জেলা আহ্বায়ক সেলিম দাবি করেছেন, ওই কমিটি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় বাতিল করা হয় এবং বর্তমানে কমিটির কোনো বৈধতা নেই।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কাজ শেষে কারখানার গাড়িতে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিচিত আসামি সিজান মাহমুদ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় অন্য তিন আসামি সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁকে ঘিরে ধরেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি নাফিজ আহম্মেদ ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে থাকা অবস্থায় ভিডিও ধারণ করেন এবং সেই ভিডিও ইন্টারনেট ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চারজন মিলে তাঁকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনার সময় পরিহিত কাপড়চোপড় জব্দ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে ভুক্তভোগী ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সুত্রঃ প্রথম আলো


More News Of This Category