রোজবার্তা :
গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু গতকাল ২১ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ গ্রহণের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
“আল্লাহর ইচ্ছায় নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘হরিণ’ চেয়েছিলাম, সেটিই পেয়েছি। আমি অতীতেও গোপালগঞ্জের মানুষের পাশে ছিলাম এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাদের সঙ্গেই থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এম এইচ খান মঞ্জু বলেন,
“আমি নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে গোপালগঞ্জের হাজারো নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো থেকে তাদের পরিত্রাণ নিশ্চিত করা।”
তিনি ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেন, “৫ আগস্টের পর গোপালগঞ্জে ৪/৫টি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। অথচ এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজসহ পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও আধুনিক প্রযুক্তিগত কৌশল থাকা সত্ত্বেও হাজারো নিরীহ মানুষ কারানির্যাতনের শিকার হয়েছে। এখনো অসংখ্য হতদরিদ্র মানুষ গ্রেফতার আতঙ্কে ঘরছাড়া, তাদের পরিবার অমানবিক নিপীড়ন ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এসব মানুষকে এই দুর্দশা থেকে মুক্ত করাই হবে আমার প্রথম দায়িত্ব।”
অধ্যক্ষ খান তার অতীত অবদান, উন্নয়নমূলক কাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে বিসিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বাস্তব প্রয়োজনীয়তা ও প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন।
নিজের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় পর আমি আবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে যে নির্বাচনী ভোটযুদ্ধে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলাম, তা আজও গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে বিরল। এছাড়া অতীতে প্রায় সব স্থানীয় নির্বাচনে আমার সমর্থিত প্রার্থীরাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিজয়ী হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ইনশাআল্লাহ আমিই বিজয়ী হব।”
উল্লেখ্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু অতীতে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।