স্পোর্টস ডেস্ক:
আইএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আবু ধাবি নাইট রাইডার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটেছে সাকিব আল হাসানের এমআই এমিরেটস। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও কার্যকর ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় এমিরেটস।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নাইট রাইডার্সকে ১২০ রানে আটকে রাখে এমিরেটসের বোলাররা। উইকেটের দেখা না পেলেও বড় অবদান রাখেন সাকিব আল হাসান। আঁটসাঁট লাইন-লেংথে ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান খরচ করেন বাংলাদেশের স্পিনিং অলরাউন্ডার।
রান তাড়ায় শুরুতেই বিপাকে পড়ে এমিরেটস। দ্বিতীয় ওভারে আন্দ্রে ফ্লেচারকে হারানোর পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার মুহাম্মাদ ওয়াসিমও। অষ্টম ওভারে ৩৬ রানে ২ উইকেট পড়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব।
ক্রিজে এসেই প্রথম বলটি সুনিল নারাইনের ওপর দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠান তিনি। স্পিনারদের বিপক্ষে দারুণ স্বচ্ছন্দ ছিলেন সাকিব। পীযুষ চাওলার বলে টানা দুটি চার মারার পর লিয়াম লিভিংস্টোনের বলে কাট শটে চার ও ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে বড় ছক্কা হাঁকান তিনি।
৫ চার ও এক ছক্কায় ২৪ বলে ৩৮ রানের ঝরঝরে ইনিংস খেলেন সাকিব। তৃতীয় উইকেটে টম ব্যান্টনের সঙ্গে তাঁর ৫৩ বলে ৮২ রানের জুটিতেই কার্যত ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়ে যায়।
ব্যাট হাতে ম্যাচ শেষ করে ফেরেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান ব্যান্টন। ৬ চার ও এক ছক্কায় ৫৩ বলে ৬৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। ২৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এমিরেটস।
দাপুটে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জেতেন সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৬৯ ম্যাচে এটি তাঁর ৪৬তম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে উঠল এমআই এমিরেটস। দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি রোববার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ডেজার্ট ভাইপার্সের, যাদের কাছে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরেছিল সাকিবের দল।
উল্লেখ্য, এবারের আসরেই প্রথমবার আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলছেন সাকিব। এর আগে তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল অপরাজিত ১৭ রান। ওই ম্যাচেই দুই উইকেট নিয়ে প্রথমবার ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।