রোজবার্তাঃ
গোপালগঞ্জ–১ আসনে সর্বশেষ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম আলী খান। তিনি কলস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রশ্ন: কেমন আছেন?
উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ, খুব ভালো।
প্রশ্ন: সময় কেমন কাটাচ্ছেন?
উত্তর: বেশ প্রফুল্লভাবে ও ব্যস্ততার মধ্যেই ভালো কাটছে।
প্রশ্ন: ব্যবসায়ী থেকে হঠাৎ রাজনীতিতে কেন?
উত্তর: ব্যবসা আমার পেশা, আর রাজনীতি আমার জীবনবোধ। আমি ব্যবসা ছেড়ে আসিনি—ব্যবসা আছে। ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিকভাবে সচেতন ছিলাম, যদিও সরাসরি যুক্ত ছিলাম না। সত্যিকার অর্থে দেশ ও জনগণের খেদমতের অন্যতম ক্ষেত্র রাজনীতি। যার মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা সহজ হয়—এটাই আমার প্রয়াস।
প্রশ্ন: ইতিপূর্বে কোনো দল বা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন?
উত্তর: না, এর আগে কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্বাচনে অংশ নিইনি।
প্রশ্ন: আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ কী?
উত্তর: আল্লাহকে খুশি করার জন্য জনগণের খেদমত করা। কারণ আল্লাহর রাজি-খুশিতেই দো-জাহানের কামিয়াবি।
প্রশ্ন: ৫ আগস্ট না হলে নির্বাচনে আসতেন?
উত্তর: স্বল্প পরিসরে চিন্তা করতাম। তবে ৫ আগস্ট জনসেবার বিস্তৃত পরিসর তৈরি করেছে, যা কাজে লাগানো জরুরি।
প্রশ্ন: আওয়ামী অধ্যুষিত এলাকায় কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
উত্তর: স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত। জনগণ আশা করে ভালো ও সৎ মানুষ তাদের প্রতিনিধিত্ব করুক। আমরা উৎসাহী এবং জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
প্রশ্ন: জনগণ কেন আপনাকে ভোট দেবে?
উত্তর: জনগণ সেবা চায়, ভালো ব্যবহার চায়, সুখ-দুঃখের কথা বলতে চায়। এজন্য তারা ভালো ও সহজ মানুষকে বেছে নেয়—যিনি তাদের কাছে আসবেন, কথা শুনবেন ও সমাধানের চেষ্টা করবেন। আমাদের প্রতি সেই বিশ্বাস তাদের আছে।
প্রশ্ন: অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্পর্কে বলুন।
উত্তর: আমি তাদের জনগণের দৃষ্টিতেই দেখি। পূর্ব অভিজ্ঞতা কম। বিশেষ সমালোচনার কিছু নেই। বিচারের ভার জনগণের।
প্রশ্ন: প্রার্থিতা বাদ হলো কেন?
উত্তর: এক ভাগ ভোটারের সমর্থনে কিছুটা গড়মিল ছিল, পরে আপিলে সমাধান হয়েছে।
প্রশ্ন: প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার অনুভূতি কেমন?
উত্তর: নির্বাচনের প্রথম শর্তই হলো প্রার্থিতা। সংগত কারণেই ফিরে পেয়ে ভালো লেগেছে। কর্মী-সমর্থকেরাও উল্লসিত।
প্রশ্ন: সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রশাসন ও কমিশনের ভূমিকা কেমন?
উত্তর: তারা চেষ্টা করছে। আমরাও সহযোগিতা করছি।
প্রশ্ন: নির্বাচিত হলে কী করবেন?
উত্তর: জনগণের খেদমত, সাংবিধানিক সুরক্ষা, সম্পদের আমানত রক্ষা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।
প্রশ্ন: ভোটারদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।
উত্তর: আমাকে নির্বাচিত করলে পাশে পাবেন—নেতা নয়, সেবক হিসেবে থাকব ইনশাআল্লাহ।
এভাবেই রোজবার্তার একান্ত সাক্ষাৎকারে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন গোপালগঞ্জ–১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম আলী খান।