ডেস্ক রিপোর্ট:
ইসলাম মানবতা, ন্যায়বিচার ও শান্তির ধর্ম—এই বার্তা আবারও জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। সাম্প্রতিক সময়ে মুসলিম স্কলার, ধর্মীয় নেতা ও ইসলামিক সংগঠনগুলো মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায় এবং পারস্পরিক সহাবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট—যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে ইসলামের শিক্ষা মানুষকে সঠিক পথ দেখাতে পারে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও পরোপকারের আদর্শ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
এদিকে বিভিন্ন ইসলামিক দাতব্য সংস্থা দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে খাদ্য বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগগুলো প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
ইসলামিক চিন্তাবিদদের মতে, ইসলাম শুধু ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ন্যায় ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার দিকনির্দেশনা দেয়।
বিশ্বজুড়ে মুসলিম সমাজের পক্ষ থেকে শান্তি, সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বিভেদ নয়—বরং মানবতার বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।