নিউজ ডেস্ক :
গ্রামীণ জীবনের আবেগ, প্রেম ও সংস্কৃতির অনন্য রূপকার পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের জন্মবার্ষিকী আজ দেশের বিভিন্ন স্থানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, স্মৃতিচারণা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পল্লীকবি জসিমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে গ্রামীণ জনজীবন ও লোকজ সংস্কৃতিকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে বাংলার মাটি ও মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ ও জীবনসংগ্রামের বাস্তব ও হৃদয়স্পর্শী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।
১৯০৩ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন মাদারীপুর মহকুমার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জসিমউদ্দীন। ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’সহ তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দ্রুত নগরায়ন ও আধুনিকতার প্রভাবে গ্রামীণ সংস্কৃতি যখন ক্রমেই বিলুপ্তির পথে, তখন জসিমউদ্দীনের সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ পল্লীকবি জসিমউদ্দীন ইন্তেকাল করলেও তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও বাংলা ভাষাভাষী মানুষের চিন্তা ও চেতনায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। জন্মবার্ষিকীর এই দিনে কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ।