নিউজ ডেস্ক:
আল্লাহ এবং তাঁর রসুল যাদেরকে নির্দিষ্টভাবে শহিদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তাদেরকে ছাড়া আর কোন মানুষকে নির্দিষ্ট করে শহিদ বলা জায়েজ নাই। সে যেই হোক না কেন। এমনকি জিহাদে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে মারা গেলেও তাদেরকে নির্দিষ্টভাবে শহিদ বলা বৈধ নয় যে, উমুক, উমুক শহিদ। কারণ আমি-আপনি জানি না সে কী নিয়তে জিহাদ করেছে। আল্লাহর দ্বীনের জন্য নাকি মানুষ তাকে বীর যোদ্ধা বা সহাসী মুজাহিদ বলবে সে জন্য।
তবে কোনও ব্যক্তির বাহ্যিক অবস্থার প্রতি সুধারণা রেখে তা জন্য দুআ করা যাবে যে, আল্লাহ তাকে শহিদ হিসেবে কবুল করুন। অথবা আশা করা যায়, যে সে আখিরাতে শহিদি মর্যাদা লাভ করবে। অথবা আমভাবে বলা যাবে যে, যারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে তারা শহিদ. যারা এই এই করবে তারা শহিদ। কিন্তু নাম ধরে নির্দিষ্টভাবে বলার অনুমতি নেই।
ইমাম বুখারি এভাবে একটি অধ্যায় রচনা করেছেন যে,
باب لا يقال: فلان شهيد
”একথা বলা যাবে না যে, অমুক ব্যক্তি শহিদ।”
ইবনে হাজার আসকালানি রাহ. বলেন,
: أي على سبيل القطع بذلك إلا إن كان بالوحي، وكأنه أشار إلى حديث عمر أنه خطب فقال: تقولون في مغازيكم فلان شهيد ومات فلان شهيداً ولعله قد يكون قد أوقر راحلته. ألا لا تقولوا ذلكم ولكن قولوا كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من مات في سبيل الله أو قتل فهو شهيد. وهو حديث حسن أخرجه أحمد وسعيد بن منصور وغيرهما من طريق محمد بن سيرين … وعلى هذا فالمراد النهي عن تعيين وصف واحد بعينه بأنه شهيد، بل يجوز أن يقال ذلك على طريق الإجمال. انتهى
অর্থাৎ ওহির মাধ্যমে অবগত হওয়া ব্যতীত অকাট্য ভাবে কারও জন্য শহিদ হওয়ার ফায়সালা দেওয়া যাবে না। তিনি (ইমাম বুখারি রাহ.) সম্ভবত উমর রা. এর একটি ভাষণের দিকে ইংগিত করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা যুদ্ধ ক্ষেত্রে বলে থাক, অমুক ব্যক্তি শহিদ, অমুক ব্যক্তি শহিদ হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে। কিন্তু হতে পারে সে তার বাহনে আরোহন করেছে, ব্যবসার উদ্দেশ্যে।
খবরদার! এভাবে বলো না বরং তোমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল�